এমন কিছু দুর্লভ ঐতিহাসিক ছবির নাম বলতে পারেন কি, যেইগুলি অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়?

 

 · 
অনুসরণ
Shrey Mahajan

এই ছবিটি ১৯৭০ এর দশকের আফগানিস্তানে তোলা।

তালেবান আসার আগে, নারীরা আফগানিস্তানে এই ভাবে চলা ফেরা করত। তারা ১৯২০- এর দশকে তাদের ভোটাধিকার এবং ১৯৬০- এর দশকে সংবিধান দ্বারা সমতা লাভ করে।

১৯৭৭ সালে আফগানিস্তানের আইনসভায় ১৫% নারী ছিল।

তখন আফগানিস্তানের জনসাধারণের বসার স্থান এবং কলেজের এই রকম দৃশ্য ছিল।

তখন জাতির বিকাশে নারীরা বেশ ভূমিকা পালন করত।

তালেবান আসার পরে, নারীদের এখন এই ভাবে চলাচল ও দৈনন্দিন কাজ করতে হয়। তারা ইসলামিক আইন এবং এর রীতি অনুযায়ী চলাচল করছে।

এটি এমন একটি স্থান ছিল যখন ইসলামিক দেশ হিসেবে আফগানিস্তান এর মহিলারা বেপর্দা চলাফেরা করত এবং এখন তালেবান আসার পর তাদের পর্দায় চলতে হয়।

বিঃদ্রঃ উক্ত উত্তরটিতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। কারণ, যে প্রশ্নটি থেকে উত্তরটি অনুবাদ করা হয়েছে সেখানে অনেক কিছু বলা হয়েছে যা ইসলাম বিরোধি।

এখন আপনার কি মনে হয়, আগে আফগানিস্তানে মহিলাদের চলাচল ঠিক ছিল এবং এখন সেই অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে, নাকি তাদের বেপর্দা চলাফেরা এখন ইসলামিক আইনে পর্দায় করা হয়েছে।

ভাল মন্দ আপনরাই ভাল বিচার করতে পারবেন আশা রাখি।

Imran Ali-এর প্রোফাইল ফটো

ভুয়া ছবি। আফগানদের হাতে নাস্তানাবুদ হয়ে পশ্চিমারা বিশ্বকে বুঝাতে চাচ্ছে সে দেশ ছেড়ে আসার পরে আফগানরা কিই না দুর্ভোগে পড়েছে।

আমি ১৯৭২ সালে আগস্ট সেপ্টেম্বর মাসে দুই সপ্তাহ কাবুলে কাটিয়েছিলাম। এ ধরনের খোলামেলা পোশাক পরিহিতা আফগান মেয়েদের কোথাও দেখি নাই। সম্ভবত ইসলামী বিপ্লবের আগে রেজা সাহা পাহলভীর আমলে ইরানের মেয়েদের ছবি।

১৯২৯-৩০ দশকে বাদশাহ আমানুল্লাহর রাজত্বকালে অল্প কিছুদিন পশ্চিমা পোশাক পরিধানের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়েছিল বটে কিন্তু তার পতনের পর আফগানরা পুনরায় রক্ষণশীল চিন্তাধারায় ফিরে আসে। ইতিহাসের সে সন্ধি কলে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি সৈয়দ মুজতবা আলীর 'দেশে বিদেশে' পুস্তকে বিশদ ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

যখনকার কথা বলছি সে ১৯৭২ সালে রাস্তাঘাটে মেয়েদের বলতে গেলে দেখাই যেত না। ‌ শুধুমাত্র স্কুল ছাত্রীরা ইউনিফর্ম পরে যাতায়াত করতো। ‌ রাশিয়ানদের তৈরি করে দেওয়া কাবুলের একটা মাত্র আধুনিক ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে কিছু মেয়ে স্বাভাবিক ইউনিফর্ম পরে কাজ করত। আফগানিস্তান তখনো ছিল গরীব দেশ। এত দামি পোশাক কেনার সামর্থ্য ছিল না। এবং তাদের দুরন্ত ফ্যাশানের এত ঢলঢলে মার্কা মারা চেহারা ছিল না।

কাজী তানজিব-এর প্রোফাইল ফটো

এটি একটি অনুবাদ করা উত্তর মাত্র। আপনি নিজে পর্যবেক্ষণ করে এর সঠিক তথ্য যাচাই করতে পারেন।

অভ্র আহমেদ
এখানে প্রথম ছবিগুলো আফগানিস্তানের নয় বরং ইরানের ছবি।

খুশি হয়েছেন তো মহিলাদের এরকম অবস্থা হওয়ায়?

তাহলেই হলো।

কাজী তানজিব-এর প্রোফাইল ফটো
খুশি হওয়ার কথা না। আপনি যদি একজন মুসলিম সমাজ সম্পর্কে জানতেন তাহলে এই কথা বলতেন না। আপনি সৌদি আরবের মহিলাদের চলাফেরা দেখেন তারা কিন্তু সকল অধিকারই পাচ্ছে পর্দায় চলাচল করেও। একজন মহিলার পর্দা করার মধ্যে কিভাবে তার অধিকার লংঘন করা হয় আমি জানি না। একটি পর্দা করার মাধ্যমে যে তার কতটা সম্মান অর্জন করে তা…
Premasish Chatterjee
আমার কাছে যেহেতু ব্যাপারটি অবান্তর সেইহেতু জানার কোন আগ্রহ নেই। একটা প্রশ্ন শুধু নারীদের ক্ষেত্রেই কেন?

পোশাকের দৈর্ঘ্য দিয়ে নারীদের মর্যাদা যাচাই করা যায় না।

বোরকা পড়া মেয়েদের Google এ পাবেন আর বিকিনি পড়া মেয়েদের পাবেন কোনো মিলিওনিয়ার বুড়োর Sugar Baby হিসেবে।

এটা খুব একটা যুক্তিযুক্ত হলো না অভ্র।

তাহলে যুক্তিযুক্ত কি?এক নারী যিনি প্রচুর পড়াশোনা করে Google কর্মরত ও হিজাব পরিধান করেন তার চেয়ে বিকিনি পড়হিত এক Sugar Baby বেশি সম্মানিত?

আমাদের সমাজে কি প্রয়োজন?হিজাব পরিহিতা Engineer নাকি বিকিনি পরহিতা Sugar Baby/Pornstar?

এটা তো আমি বলিনি - শালীন পোশাক পরিচ্ছদ পড়বে কিন্তু আপাদমস্তক ঢাকাঢুকি দিয়ে ঘুরবে কেন?

আমাদের Queen Elizabeth ও আপাদমস্তক ঢাকাঢুকি করে ঘুরে বেড়ান।

জানি না কেন।

সম্ভবত তার লজ্জাশীলতা এর কারণ।

যে ছবিগুলো দেখছি তা তো কোন অর্থেই অশালীন নয়।

এটা ভারতের একটা স্কুলের ইউনিফর্ম👇

এটা কোরিয়ার একটা স্কুলের ইউনিফর্ম👇

আর এটা একটা মুসলিম দেশের স্কুলের ইউনিফর্ম👇

এখন কোরিয়ানদের যেমন ভারতের মেয়েদের নগ্ন পা দেখার জন্য ভারতীয় মেয়েদের পায়জামা ধরে টানাটানি করা উচিত না ঠিক তেমনি মুসলিম নারীদের চুল দেখার জন্য ভারতীয় হিন্দুদের মুসলিম নারীদের হিজাব ধরে টানাটানি করা উচিত নয়।

ভাই আপনার প্রত্যেক টা মন্তব্য অসাধারণ।

ধন্যবাদ!😅

কেউ কি বলেছে টানাটানি করতে?

আপনিই তো বলছেন কেন আমি পর্দাপ্রথাকে সমর্থন করি,কেন আপাদমস্তক ঢাকতে হবে।

আমি বলছি যারা হিজাবের বিরোধিতা করে তারা নারীদের পোশাক নিয়ে নাক না গলাতে।এটা তাদের Personal Choice.

একটা হিজাব পড়তেই পারে।এ বিষয়ে কারো বিরোধিতা করার অধিকার নেই।

দাদা ,তোমার সমস্ত কমেন্টস পড়ার পর ,তোমার কথায় একটা যুক্তিও খুঁজে পেলাম না ,সব অবুঝ শিশুর মত কথা বলেই গেছো ,একটা স্ট্রং যুক্তি দিয়ে ওদের বক বক বন্ধ করে দিতে পারতে না ?

পঞ্চাশ ষাট বছর আগে তো ঢাকা শহরেও বোরখা দেখা যেত না । আর এখন !!

কাজী তানজিব-এর প্রোফাইল ফটো

আপনি যে বিষয়টি বোঝাতে চাচ্ছেন তা হল এখনের চাল-চলন। এখনের সবাই বোরকাকে একটি স্টাইল হিসেবে দেখে এবং এই বিষয়টির কারণে বোরকা বেশি দেখা যায়।

আপনাকে ধন্যবাদ। বোরখা যে বাংলাদেশে ' স্টাইল ' , তা জানা ছিল না ।

কাজী তানজিব-এর প্রোফাইল ফটো

তা কিভাবে জানবেন? আপনি যে না জেনে শুনেই কমেন্ট করেন তা আপনার কমেন্ট পড়লে বোঝা যায়।🤣

মি. তানজিব । দয়া করে একটু খোঁজ খবর নিন । তাহলেই সত্যিটা জানতে পারবেন।

কাজী তানজিব-এর প্রোফাইল ফটো

তা বৎস আপনার কত পূর্বপুরুষ এ পর্যন্ত ঢাকায় আসছে?

আমার জন্ম ঢাকায়,ঢাকায় বোরকা খুব কমন পোশাক,গুলশানের মতো এলাকাতেও বোরকা অহরহ।

আর ৫০ বছর আগের কথা বললেও বোরকা বেশ কমন।আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের কথা বলা নিষিদ্ধ ছিলো।

কাজী তানজিব-এর প্রোফাইল ফটো

ভদ্রভাবে কথা বলতে তো পয়সা লাগে না । লাগে শিক্ষা ।

আর বোরখার বিষয়ে যা বলেছি একটু খোঁজ নিয়ে দেখুন।

কাজী তানজিব-এর প্রোফাইল ফটো

যারা মেয়েদের পোশাক নিয়ে টানাটানি করে তাদের সাথে ভদ্রভাবে কথা বলার আমি প্রয়োজনবোধ করি না।

দ্বিতীয়ত আমি ঢাকারই বাসিন্দা,ঢাকাই আমার জন্মভূমি,এখানের কি কিভাবে চলে তা কলিকাতার কোনো মানুষের কাছ থেকে শোনার আমার প্রয়োজন নেই।

ধন্যবাদ।

প্রয়োজন যখন নেই তখন কুয়োর ব্যাঙ হয়ে বসে থাকুন, মন্তব্য করার কী দরকার।

প্রথম দুটি ছবি বিপ্লবের আগের তেহরানের I

Fascinating photos reveal life in Iran before the revolution

কাজী তানজিব-এর প্রোফাইল ফটো

Conditions of Women in Afghanistan now

কাজী তানজিব-এর প্রোফাইল ফটো

বাস্তবতা একটু ভিন্ন

(বিদ্র আমি তালেবান শাসন বিরোধী)

How Taliban is controlling women now -

'We're All Handcuffed in This Country.' Why Afghanistan Is Still the Worst Place in the World to Be a Woman —- Why Afghanistan Is Still the Worst Place in the World to Be a Woman

বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রেও যোগদান করছে আফগানিস্তানের নারীরা

কাবুল এয়ারপোর্ট থেকে নিউজ চ্যানেল কিংবা ফ্যাক্টরি সব স্থানেই নারীরা কর্মরত রয়েছেন।

(বিদ্র আমি তালেবান শাসন বিরোধী)

প্রপাগান্ডা এগুলো

কাজী তানজিব-এর প্রোফাইল ফটো

পর্দা ইসলা‌মের এক‌টি ফরজ বিধান, কোন মুসলমা‌নের প‌ক্ষে এটা‌কে অস্বীকার করা সম্ভব নয়। কত মুসলমানই তো জেনা ব্য‌ভিচার অন্যায় জুলুম কর‌ছে, সবাই‌কে যার যার জবাব দি‌তে হ‌বে। ফরজ ফরজই থাক‌বে, সুতরাং যারা মান‌বেনা তারা গুনাহগার হ‌বে।

কাজী তানজিব-এর প্রোফাইল ফটো

রেজা শাহ পেহলভীর আমলে নারী শিক্ষার হার ছিলো মাত্র ২৪%

২০১৬ সালে তা ৮১% হয়েছে।

ইরানের নারী কর্মীর হার ৫২%

যা পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশের তুলনায় বেশি

ইরানের বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ার এর ৭০% ই নারী।

Amazon,Flipcart বা Alibaba এর মতো একটা ই কমার্স প্রতিষ্ঠান ইরানেও আছে,যার উদ্যোক্তা একজন নারী।

ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী পুরুষের অংশগ্রহণ সমান।

যদি মনে করেন ছোট পোশাক পড়ে লজ্জাহীনের মতো চলাফেরা করলেই নারী উন্নয়ন হয় তাহলে বাংলাদেশের পাবনার হেমায়েতপুরে মানসিক চিকিৎসার একটা হাসপাতাল আছে।সেখানে যোগাযোগ করুন।

কাজী তানজিব-এর প্রোফাইল ফটো

অভ্র, তোমার মতো লেখাপড়া করা ছেলে কি করে এই পর্দা প্রথা সাপোর্ট করো আমি বুঝতে পারি না। পোশাক পরিচ্ছদে নিশ্চয়ই শালীনতা বজায় রাখা উচিৎ তাই বলে আপাদমস্তক ঢেকে রাখার মাধ্যমে এই পর্দা প্রথা কি কামনীয়?

দেখুন আপনার নাম দেখা বোঝা যাচ্ছে আপনি একজন অমুসলিম। আপনি যদি ইসলাম সম্পর্কে ও ইসলাম মেয়েদের সম্পর্কে যে বিধি নির্দেশ দিয়েছে সেগুলো সম্পর্কে আগে জানুন। জানলে আর আপনি এই বিষয় নিয়ে অযথা তর্ক করতেন না।

আমি ধর্মে হিন্দু। আমাদের এখানে যে মুসলিম সম্প্রদায়ের পরিচিতরা আছেন তাদের মধ্যে কিন্তু এরকমের প্রথার কড়াকড়ি পরিলক্ষিত হয় না।

দেখুন আমি তো বেশি লেখাপড়া করিনি,তাই এমন কিছু মানুষের কাছে যাই যারা অনেক অনেক মেধাবী।

প্রথমত এই নারীটি বর্তমানে Google এর Engineer.তার Speech টা অবশ্যই শুনবেন।

আরেকটা স্পিচ দেখতে পারেন👇

এবার আসি নাসায়,সেখানে বিশ্বের সেরা মেধাবীরা কাজ করে👇

এখানেও হিজাব পরহিতা নারী দেখা যাচ্ছে।

আমাদের Nasa ও আপাদমস্তক পোশাককে সমর্থন করে ও সম্মান করে।

নাসার মুসলিম বিজ্ঞানীগণ☝️

ইনি ভারতের প্রথম মুসলিম নারী নিউরোসার্জন ও ভারতের সর্বকনিষ্ঠ নিউরোসার্জন।সে ২০২০ সালে NEET exam এ সারা ভারতের মধ্যে ১৩৭ তম হন।

যেহুতু ভারতের NEET এ ১৩৭ তম হওয়া মানুষটি বলেছেন এই আপাদমস্তক ঢেকে রাখা পর্দাপ্রথা কামনীয় তাহলে অবশ্যই তা কামনীয়!

ভারতের নিট বা এইমস এ চান্স পাওয়া বহু নারী আছেন যারা হিজাব পড়েন না - যাইহোক ওটা বিশেষ এক ধর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত, সুতরাং আর এসব নিয়ে মন্তব্য না করাই সমীচীন।

পৃথিবীর সকল ধর্মে হিজাব আছে

আমি ভাই জন্মেছি যে ধর্মে তার কথা বলতে পারি - ঘোমটার প্রচলন আছে এবং সেটা প্রিডোমিন্যান্ট গ্রামাঞ্চলে। কলকাতায় সেটা নেই আর ঘোমটা নর্ম্যালি বাড়ির বয়জ্যেষ্ঠদের সামনে সম্মান প্রদানের জন্য মাঝে মাঝে ব্যবহৃত হয়। ছাত্র ছাত্রীরা এসবের ধারেকাছে নেই কো। যে ছবিটা দিয়েছো এক গলা ঘোমটা দেওয়া তা অবাঙালী উত্তর ভারতীয়দের মধ্যে প্রচলিত আছে। এগুলো ভারতে কিছু কিছু জায়গা ছাড়া খুব প্রিডোমিন্যান্ট নয়।

ধরে নিলাম গ্রামাঞ্চলে ঘোমটা দেয়ার প্রচলন আছে আর অবাঙালি উত্তর ভারতীয় নারীদের মধ্যে ঘোমটা দেওয়ার প্রচলন আছে,সাথে আপনার বাসায় বয়জ্যেষ্ঠদের সামনে ঘোমটা দেয়ার প্রচলন আছে।

এখন এই ঘোমটা দেয়া কি অপরাধ?

কি এমন কারণ আছে যে ঘোমটা দেয়াকে নিষিদ্ধ করতে হবে?

ঘোমটা দেয়া নিষিদ্ধ করে ফেললে সমাজের কি কি কল্যাণ হবে?

আপনি ঘোমটার বিরোধী কেন?

ঘোমটা আপনার কি ক্ষতি করেছে?

আপনি অযথা নারীদের ঘোমটা নিয়ে টানাটানি করছেন কেন?

নারীদের ঘোমটা নিয়ে টানাটানি করা কি ঠিক?

নারীরা লজ্জাশীলতার জন্য মাথাও ঘোমটা দিতেই পারেন,তাদের জোর করে ঘোমটা খুলবেন কেন?

আপনার মাও তো ঘোমটা দেন,তার ঘোমটা দেবার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবেন কেন?

যাইহোক আমার মা ১৯৯৭ সালে স্বর্গতঃ হয়েছেন - তিনি কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারী ছিলেন এবং জীবনে তাঁকে দেখিনি ঘোমটা দিয়ে অফিস যেতে। আমাদের দেশের বাড়িতে তিনশ' বছরের পুরনো তিনটি পারিবারিক পূজা আছে - ওখানে আমি দেখেছি গুরুজনদের সামনে ঘোমটা দিতে - তাও তোমার দেওয়া ছবির মতো একগলা নয় কো।আর এখনকার জেনারেশনে কেউই ঘোমটা দেয় না - দেশের বাড়িতেও। আমার স্ত্রী এক কলেজের ইতিহাসের অধ্যাপিকা - আমি তাকে কোনদিনই ঘোমটা দিয়ে কলেজ যেতে দেখিইনি - কারণ সেটা আমাদের দেশের পার্সপেক্টিভে এক্কেবারে হাস্যকর। আরও বলি এর আগে আমার স্ত্রী একটি অটোনোমাস মুসলিম কলেজে পড়াতেন - সেখানেও এক দু'জন ছাড়া কেউ হিজাব পড়তেন না - তবে একবার একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সময় দেখলাম যে আযান শুরু হতে প্রোগ্রাম সে সময় কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রইল এবং ইসলাম ধর্মালম্বী মহিলা অধ্যাপিকারা জাস্ট মাথায় কাপড়টা ঢাকা দিলেন।

আমার বক্তব্য হলো কোনমতেই এটা আমাদের দেশে মাস্ট নয়।

বাড়িতে তিনশ' বছরের পুরনো তিনটি পারিবারিক পূজা আছে - ওখানে আমি দেখেছি গুরুজনদের সামনে ঘোমটা দিতে - তাও তোমার দেওয়া ছবির মতো একগলা নয় কো।

এটাই তো কথা।

পারিবারিক পূজায় আপনার মা ঘোমটা পড়ে রাখসে আর একজন এসে বললো,না ঘোমটা পড়া যাবে না,ঘোমটা খুলো।

বিষয়টা কেমন লাগবে?

রাজস্থানে ঘোমটা বা Ghoomar নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক👇

এরা ইহুদি👇

এরা খ্রিস্টান👇

একটা বাস্কেটবল টুর্নামেন্ট যেখানে জার্মান দলের বিকিনি ইউনিফর্ম বাধ্যতামূলক হলেও মিশরের টিমের হিজাব বাধ্যতামূলক ছিলো না👇

মালালা ইউসুফজাই

ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল👇

মাদার তেরেসা

বিশ্বের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকারী নারী👇

The world’s first university was founded by a woman - Global Academy Jobs Blog
Career advice for academics and researchers. Articles include balancing teaching and research, integrating research activity and impact, interviews (including body language mistakes) academic CVs, job search cheat-sheets and much, much more.
Fatima al-Fihri: Muslim lady behind world’s first university | The Opinion Pages
Wujood-e-zan se haitasveer-e-kainaat mein rang (The colours of the universe are there because of the existence of womankind) — Sir Muhammad Iqbal Did you know the first university in the world was founded by a Muslim woman? Of course you didn’t. In recent years, on account of sustained negative stereotyping across the world media, the... Read more »
Fatima Al-Fihri: Founder of world's first university
A very intellectual, smart and generous woman of her time, Fatima al-Fihri founded the world's first university to continuously grant degrees, the...
Al-Qarawiyyin, world’s oldest, continually operating university, was founded by a Muslim woman
The world's oldest university is not in Europe, as most people would assume; it is in Morocco and was founded by a Muslim woman over two centuries...
Fatima al-Fihri: Founder of the world's oldest university | DW | 08.05.2020
In the Moroccan city of Fez, Fatima al-Fihri founded a mosque which developed into the famous al-Qarawiyyin university. Today it is recognized as the oldest existing university in the world.

AR Rahman এর মেয়ের ইন্টারভিউটা শুনুন👇

ঘোমটা খুলতেই বা বলবে কেন? আর ঘোমটা পরবার জন্য জবরদস্তিই বা করবে কেন? এটা ঐচ্ছিক বিষয় - ইচ্ছে হলে পড়বে ইচ্ছে না হলে পড়বে না। এবং এটা "এসেন্সিয়াল রিলিজিয়াস প্রাকটিসেস" নয় ভারতে। একটা রীতি বলা যেতে পারে।

ঘোমটা খুলতেই বা বলবে কেন?

ঠিক তেমনি হিজাব খুলতে বলবে কেন?

আর ঘোমটা পরবার জন্য জবরদস্তিই বা করবে কেন?

তেমনি হিজাব খোলানোর জন্য জবরদস্তি করবে কেন?

কর্ণাটক স্কুল ইউনিফর্ম এর নামে হিজাব খোলানোতে জোর জবরদস্তি করা হয়েছে।

High Court বলেছে স্কুল ইউনিফর্ম ফলো করতে - আর এটস এসেনশিয়াল রিলিজিয়াস প্রাকটিসেস মধ্যে পড়ে না তাই বাধ্যতামূলক করা হবে না। আর যে আহমেদিয়া ছাত্রী এই আন্দোলনের প্রস্তাবনা করেছিলেন তার বিভিন্ন ছবিও প্রকাশিত হয়েছে শপিং মল, রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি জায়গায় হিজাব ছাড়া। এখন দু'জন ছাত্রী ছাড়া আর সকলের অভিভাবকেরা ব্যাপারটি মেনে নিয়েছেন এবং ছাত্রীরা পরীক্ষায় বসেছেন। ভারতে আইনের শাসনই চলবে - কোন স্পেসিফিক ধর্মের নয়।

আচ্ছা আমেরিকা ইউরোপের ছেলেমেয়েরা ইউনিফর্ম না পড়ে নোবেল পায় কিভাবে?

- আর এটস এসেনশিয়াল রিলিজিয়াস প্রাকটিসেস মধ্যে পড়ে না তাই বাধ্যতামূলক করা হবে না।

আল্লাহ তায়ালা বললেও তা এসেনশিয়াল রিলিজিয়াস প্রাক্টিসের মধ্যে পড়বে না?

বাহ

আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যখন তোমরা তাদের নিকট কিছু চাইবে তখন পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এ বিধান তোমাদের ও তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ’। (সূরা আহযাব: ৫৩)

আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে নবী আপনি আপনার স্ত্রী, কন্যা ও মু’মিন নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের জিলবাবের একাংশ নিজেদের উপর টেনে দেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সূরা আহযাব: ৫৯)

আর মুমিন নারীদেরকে বল, যেন তারা তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখবে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে। আর যা সাধারণত প্রকাশ পায় তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য তারা প্রকাশ করবে না। তারা যেন তাদের ওড়না দিয়ে বক্ষদেশকে আবৃত করে রাখে। আর তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, নিজদের ছেলে, স্বামীর ছেলে, ভাই, ভাই এর ছেলে, বোনের ছেলে, আপন নারীগণ, তাদের ডান হাত যার মালিক হয়েছে, অধীনস্থ যৌনকামনামুক্ত পুরুষ অথবা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ছাড়া কারো কাছে নিজদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। আর তারা যেন নিজদের গোপন সৌন্দর্য প্রকাশ করার জন্য সজোরে পদচারণা না করে। হে মুমিনগণ, তোমরা সকলেই আল্লাহর নিকট তাওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।

কালকে তো বলবে নামাজ পড়াও এসেনশিয়াল রিলিজিয়াস প্রাক্টিসের মধ্যে পড়ে না

এই যে রাজস্থানের মহিলাটা ঘোমটা দিয়েছেন,এটা কি এসেনসিয়াল রিলিজিয়াস প্রাকটিসেস এর মধ্যে পড়ে?

কালকে যদি এর ঘোমটা খোলার নির্দেশ আসে,আর তার বাপ ভাই বলে কত বড় সাহস আমার বোনের ঘোমটা ধরে টানিস,

তাহলে কি বলবেন?

ভারতে আইনের শাসনই চলবে - কোন স্পেসিফিক ধর্মের নয়।

ও আচ্ছা মানে কালকে ভারত আইন করলো মুসলিমদের নামাজ পড়া নিষিদ্ধ তাহলে কি মুসলিমদের নামাজ না পড়ে আঙুল চুষবে আর বলবে বন্দে মাতরম?

আচ্ছা কালকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী যদি আইন করে প্রতিটা মেয়েকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে এক রাত কাটাতে হবে আপনি কি আপনার স্ত্রীকে পাঠাবেন?

High Court বলেছে স্কুল ইউনিফর্ম ফলো করতে

তাহলে বিকিনি ইউনিফর্ম চালু করলে তাও ফলো করতে হবে?

আচ্ছা কোরিয়ানদের মতো নগ্ন পা দেখা যায় এমন ইউনফর্ম চালু করলে কি ভারতীয়রা মানবে?

এমন ইউনিফর্মই চালু করুন,মেয়েদের নগ্ন পা দেখতে তো ভালোই লাগবে।

আপনার মাকে ইউনিফর্মের নামে এমন নগ্ন পা দেখাতে বাধ্য করলে আপনি তা মেনে নিতেন?

অসাধারণ জ্ঞান আপনার আর ধৈর্যও অপরিমেয় ।

জাজাকাল্লাহ খাইর …

আপনাকে লেখা গুলো যৌক্তিক ও তথ্যবহুল ।

ধন্যবাদ জনাব।

অভ্র আহমেদ-এর প্রোফাইল ফটো

জাজাকাল্লাহু খাইরন!😇

আহনাফ জিহান
এই কলকাতা ব্যক্তির কাছে ঘোমটা দেওয়া হাস্যকর জিনিস। নিজেই বলেছেন উপরের কোনো কমেন্টে। মানে, জিনিসটা এমন এক পর‍্যায়ে পৌছায় গেছে যে আধুনিক হওয়া বলতে বুঝায় পোশাকের পরিমান কমানো। অভ্র ভাই, জিনিসটা পদার্থবিজ্ঞানের মতো হয়ে গেলো যে, আধুনিক সমানুপাতিক ১/ পোশাকের পরিমান। বেশি আধুনিক হলে পোশাকের পরিমাণ কমবে আর কম আধুনিক হলে পোশাকের পরিমান বাড়বে। এইটাই সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে বর্তমানে।

মাফ করবেন, বড়দের মাঝখানে কথা বলছি 😅।

আমার একটাই প্রশ্ন, ঘোমটা দেওয়া হাস্যকর কেন?

আবার ঘোমটা দিলে সমস্যাই বা কী?

ঘোমটা দিলে কী শরীরের কোনো ক্ষতি হয়? এতে কী নারীদের অধিকার ক্ষুন্ন হয়? অনেক প্রশ্ন করেছি৷ আশা করছি উওর দিবেন৷

https://qr.ae/pvM8A3

Comments